শনিবার । ৬ই জুন, ২০২৬ । ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

মেয়াদ শেষ হতে ৪ দিন বাকি থাকলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই মুজারঘোটা-বটবেড়া কালভার্টের

উত্তর ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়া উপজেলার মুজারঘোটা-বটবেড়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি কালভার্ট নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র চার দিন বাকি থাকলেও কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা এলজিইডির অধীনে প্রায় ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পটির কাজ ২০২৪ সালে শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১০ জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এলেও নির্মাণস্থলে উল্লেখযোগ্য কাজের অগ্রগতি না থাকায় প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রায় তিন বছর ধরে কালভার্টটির মূল কাঠামোর কাজ সম্পন্ন হলেও দু’পাশের সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগী, প্রসূতি মা ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের।

স্থানীয়দের মতে, এই সড়কটি ডুমুরিয়া উপজেলার ২ নম্বর রঘুনাথপুর ইউনিয়ন, ১ নম্বর ধামালিয়া ইউনিয়ন, ১২ নম্বর রংপুর ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী ফুলতলা উপজেলার মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।

কালভার্ট সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য এলজিইডি কার্যালয়ে গেলে ওই দপ্তরের কোষাধ্যক্ষ সমীর কুণ্ডুর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আলী ট্রেডার্সের প্রতিনিধি মোঃ মিরান হোসেন বলেন, ‘আমরা ১০ জুনের মধ্যে কালভার্টটির দু’পাশের সংযোগ সড়কের কাজ মাটি বা বালি দিয়ে সম্পন্ন করে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করছি।’

এ বিষয়ে ১২ নম্বর রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমারেশ মণ্ডল বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে কাজটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।’

সমাজসেবক ডা. অনুপম মল্লিক বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে যদি কালভার্টটির কাজ শেষ না হয়, তাহলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’

ডুমুরিয়া উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আতাউল গণি মিনজু বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সময় খুবই কম, তাই দ্রুত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।’

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন